Showing posts with label স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য. Show all posts

স্থায়ীভাবে ফর্সা হওয়ার দুটি উপায়

নিজেকে সবসময় সুন্দর ও আকর্ষণীয়
রাখাটা যেন জীবনেরই একটা অংশ।
আপনি নারী, বা পুরুষ হোন, একটি সুন্দর
মুখের কদর কিন্তু সর্বত্রই। আসুন জেনে
নিই ত্বক স্থায়ীভাবে ফর্সা করার দুটি
ঘরোয়া উপায়-
ভেতর থেকে রঙ করুন উজ্জ্বল:
রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার যুগ
যুগ ধরে হয়ে আসছে। প্রতিদিন এক
গ্লাস উষ্ণ গরম দুধে আধা চা চামচ
কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে পান করুন।
এভাবে পান করতে না পারলে এর
সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। নিয়মিত হলুদ
মেশানো দুধ পান করলে আপনার রং
হয়ে উঠবে ভেতর থেকে ফর্সা। দুধে
কাঁচা হলুদ বাটা না মিশিয়ে করতে
পারেন আরেকটি কাজ। দেড় ইঞ্চি
সাইজের এক টুকরো হলুদ নিন। তারপর
টুকরো করে কেটে এক গ্লাস দুধে
দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। দুধে
গাঢ় হলুদ রঙ ধরলে পান করুন। এভাবে
প্রতিদিন একবার পান করবেন।
রূপচর্চায় হলুদ:
শুধু দুধের সাথে নয়, বাহ্যিক
রূপচর্চাতেও হলুদ আপনার রঙ পরিষ্কার
করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে
কালচে ছোপ দূর করতে এই পদ্ধতি খুব
কার্যকর। উপকরণ:
দুধ তিন টেবিল চামচ
লেবুর রস এক টেবিল চামচ
এবং কাঁচা হলুদ বাটা এক চা চামচ
যেভাবে ব্যবহার করবেন:
প্রথমে দুধ, লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়ো
একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রন বা
পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে এই পেস্ট
ভালভাবে লাগিয়ে প্যাকটি শুকনো
হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে
গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে পরিষ্কার
করে ধুয়ে নিয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে
আলতো করে মুছে নিন। গরম জল দিয়ে
মুখ ধোবেন না এবং অন্তত ১২ ঘণ্টা
রোদে যাবেন না।

মোটা হওয়ার টিপস - মোটা এবার হবেনই

 পৃথিবী জুড়ে যেখানে স্বাস্থ্য কমানোর ধুম, সেখানে মোটা হওয়ার টিপস? খুব অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই?
আপনি অবাক হলেও, অনেকেই কিন্ত খুশিই হবেন। কেননা ওজন বাড়াবার টিপসগুলো তার জন্য এক রকম স্বস্তির নিঃশ্বাস বয়ে আনবে৷ শারীরিকভাবে ক্ষীণকায় ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রায়ই শোনা যায় কীভাবে যে মোটা হওয়া যায়, এত খাই কিন্তু মোটা হই না কেন।
হতাশার এই মুহূর্ত থেকে মুক্তি দিতে তাদের জন্য দেয়া হলো ১০টি টিপস। যা আপনার ওজন বাড়াতে সহায়ক…
১. ঘুম থেকে উঠে বাদাম ও কিসমিস খান ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম আর কিসমিসের বিকল্প নেই।
রাতে ঘুমাবার সময় অল্প জলে আধ কাপ কাঠ বাদাম ও কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন৷ সকালে সেগুলো ফুলে উঠলে খেয়ে নিন।

২. প্রচুর শাক সবজি ও ফল খান ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি ফল ও সবজি খেলে ওজন বাড়বে। যদি এইসব না করেও আপনার ওজন না বৃদ্ধি পায়, তাহলে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কেননা কোনও সুপ্ত অসুখ থাকলেও তার ফলে রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন।
৩. খাবারের পরিমাণ বাড়ান খাবারের পরিমাণ বাড়ানো মানেই একগাদা খেয়ে ফেলা নয়। আপনি যদি কম খাওয়ার কারণে রোগা হয়ে থাকেন, তাহলে খাবারের পরিমাণ আপনাকে বাড়াতেই হবে।
স্বাভাবিকভাবে যা খেয়ে থাকেন, তার ৪ ভাগের ১ভাগ পরিমাণ খাবার বাড়িয়ে খান প্রতিদিন।
৪. বারবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে বুঝি ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না। বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। পেট পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমবে। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলেওজন কমে।
৫. খাদ্য তালিকায় রাখুন ডুবো তেলে ভাজা খাবার ডুবো তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। ফলে সেটা ওজন বাড়াতে সহায়ক। তবে সাথে রাখুন প্রচুর তাজা শাক সবজির স্যালাড।
৬. জিমে যাওয়া অভ্যাস করুন ভাবছেন জিমে মানুষ যায় ওজন কমাতে, বাড়ানোর জন্য কেন যাবেন? কিন্তু আসল কথাটা হলো, কেবল মোটা হলেই হবে না। সাথে তৈরি করতে হবে সুগঠিত শরীর। আপনি জিমে যাবেন পেশী তৈরি করতে, এবং পুরুষেরা ওজন বাড়াতে চাইলে এই জিমে যাওয়া আসলে খুবই ফলদায়ক। পেশীর ওজন চর্বির চাইতে অনেক বেশী তো বটেই
৭. ‘মাড়যুক্ত’ ভাত খান অধিকাংশ মানুষই ভাতের মাড় ফেলে দেয়৷ মাড় ফেলে দিয়ে ভাতের স্টার্চের অনেকটাই চলে যায় মাড়ের সঙ্গে।ওজন বাড়াতে চাইলে ভাতের মড় না ফেলাই ভালো। এর ফলে ভীষণ উপকার হবে ওজন বাড়াতে। আতপ চালের মাড় ভাত মজাও লাগবে খেতে।
৮. ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু খান ওজন বাড়াবার জন্য একটা একটা অব্যর্থ কৌশল। রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই পুষ্টিকর কিছু খাবেন। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নেবেন।
৯. কমান মেটাবলিজম হার মোটা হবার পেছনে যেমন ধীর গতির মেটাবলিজম দায়ী, তেমনি রুগ্ন স্বাস্থ্যের পেছনে দায়ী উচ্চ মেটাবলিজম হার। সুতরাং মোটা হতে গেলে প্রথমেই এই মেটাবলিজম হার কমাতে হবে। তাতে আপনি যে খাবারটা খাবেন, সেটা বাড়তি ওজন রূপে আপনার শরীরে জমার সুযোগ পাবে। মেটাবলিজম হার কম রাখার জন্য প্রতিবেলা খাবারের পর লম্বা সময় বিশ্রাম করুন। খাবার পর কমপক্ষে ১ ঘণ্টা কোনও কাজ করবেন না।
১০. খাদ্য তালিকায় বিশেষ খাবার আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার যোগ করতে হবে খাদ্য তালিকায়, নাহলে ওজন বাড়বে কেন?উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে এই খাবার গুলো খেতে পারেন অনায়াসে। যেমন- ঘি/ মাখন, ডিম, চিজ/ পনির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, মেয়নিজ ইত্যাদি।
এরপরেও যদি ওজন না বাড়ে তাহলে চিকিৎকের সাহায্যে শরীর পরীক্ষা করে যদি কোনো রোগ পাওয়া যায়, তার চিকিত্সা করাতে হবে। পেটের অসুখ, কৃমি, আমাশয় অথবা কোনো সংক্রামক রোগ থাকলে পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ করলেও ওজন কমে যেতে থাকে। অতিরিক্ত ক্লান্ত থাকলেও ক্রমাগত ওজন কমে যেতে থাকে। এমন হলে বিশ্রাম, নিদ্রা ইত্যাদি বাড়িয়ে রোগীকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে হবে।


প্রতিদিন ১ কেজি করে ওজন কমানোর গোপন ফর্মুলা

বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। কত শত ডায়েট কত শত ব্যায়াম কত কিছুই না করা হল। কিন্তু কোন কিছুতে তেমন কোন লাভ হল না। আপনি কি জানেন একটি মাত্র উপায়ে প্রতিদিন ১ কেজি ওজন কমানো সম্ভব! এমন একটি ডায়েট ড্রিংকের কথা জানা যায় .dailynutritionnews.com, dietoflife.com, explicitgists.com এবং healthydietaffair.com থেকে।


বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে লেবুর রস খুব দ্রুত শরীরের মেদ কাটতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি একদিনে ১ কেজি ওজন কমিয়ে থাকে। লেবুর রস প্রাকৃতিক অস্ত্র যা দেহের চর্বি পুড়াতে সাহায্য করে থাকে। এছাড়া এটি দেহের বিষাক্ত টক্সিন দূর করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।
যা যা লাগবে
৮ কাপ পানি
৬টি লেবুর রস
১/২ কাপ মধু
১০ টি পুদিনা পাতা
কয়েকটি বরফ কুচি
যেভাবে তৈরি করবেন
১। পানি হালকা গরম করে নিন। খুব বেশি গরম করবেন না।
২। পানি, লেবুর রস, মধু, পুদিনা পাতা, সব একসাথে মিশিয়ে নিন।
৩। এবার এটি ফ্রিজে রেখে দিন কয়েক ঘন্টা।
৪। কয়েক ঘণ্টার পর বের করে পান করুন।
৫। এক কাপ পানি একটি বরফ কুচি দিবেন এর বেশি না। কারণ অতিরিক্ত ঠান্ডা শরীরের শক্তি হ্রাস করে থাকে।

কখন খাবেন
• প্রতিদিন নাস্তা খাওয়ার আগে এক গ্লাস লেবুর পানি খান। সকালের নাস্তায় খাবেন সালাদ এবং ফল।
• সকাল ১১ টায় আরেক গ্লাস লেবু পানি খাবেন সাথে অল্প কিছু ভাজা বাদাম খেতে পারেন।
• দুপুরের খাবারে একটি ডিম সিদ্ধ এবং অলিভ অয়েল ও আপেল সাইডার ভিনেগার দিয়ে লেটুস সালাদ খাবেন।
• বিকেল ৪টায় আরেক গ্লাস লেবু পানি খান। এর সাথে আপনার পছন্দের কোন ফল খেতে পারেন।
• রাতের খাবারে এক টুকরা মাছ বা মাংস খেতে পারেন। তার সাথে সালাদ খেতে পারেন।
• রাতের খাবারের ২ ঘন্টার পর আরেক গ্লাস লেবু পানি পান করুন।
এটি ওজন কমানোর সাথে সাথে আপনার শরীরে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে থাকে। তবে আপনি যদি শরীরের টক্সিন উপাদান বের করতে চান তবে দিনে কয়েকবার লেবু পানি খেলে চলবে।
লেবু পানির এই ড্রিংকটিকে “Beyonce’s Diet” বলা হয়ে থাকে। কারণ সুপার স্টার বিয়ন্সে এই ড্রিংকটি পান করে ৩৮ কিলোগ্রাম ওজন কমিয়েছিলেন।

এক কাপ আদা পানি কমিয়ে দিবে কোমরের মেদ

পেটের মেদ নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। পেটের সাথে সাথে কোমরেও মেদ জমে থাকে। কোমরের মেদ সাধারণত ব্যায়াম ছাড়া কমানো সম্ভব হয় না। ব্যস্ত এই নগরজীবনে ব্যায়াম করার মত সময় সবার হয়ে উঠে না। এই কোমরের মেদ কমানোর জন্য পান করতে পারেন আদার তৈরির এই জাদুকরী পানীয়টি।
 সারা বিশ্ব জুড়ে আদা স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে পরিচিত। পুষ্টি সমৃদ্ধ এই উপাদানটি কোমরের মেদ কমানোর পাশাপাশি বমি বমিভাব, পেশী ব্যথা, ডায়ারিয়া, মাইগ্রেন, বাত, কোষ্ঠকাঠিন্য সহ আরও অনেক রোগের প্রতিষোধ হিসেবে এটি কাজ করে থাকে। এটি রক্তে সুগার লেভেল হ্রাস করে রক্ত চলাচল বজায় রেখে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রন করে। এছাড়া ক্যান্সারের কোষ মেরে ফেলতে সাহায্য করে আদা। এই আদা দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন ডিটক্স। এটি কোমরের মেদ কাটানোর পাশাপাশি  অনেকগুলো স্বাস্থ্য উপকারী পেয়ে যাবেন।

যা যা লাগবে:
  • ১.৫ লিটার পানি
  • আদা কুচি


যেভাবে তৈরি করবেন:
১। ১.৫ লিটার পানি চুলায় দিন, এর সাথে ২ ইঞ্চি লম্বা আদা কুচি মিশিয়ে নিন।
২। এটি কিছুক্ষণ জ্বাল দিন।
৩। ঘন হয়ে গেলে চুলা নিভিয়ে ফেলুন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল আদার রস।
৪। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য এতে লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন।
৫। প্রতিদিন এক কাপ করে এই আদার রস পান করুন। কমপক্ষে ছয় মাস এটি পান করুন।

কার্যকারণ:
আদা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বমি বমি ভাব দূর করে, হজমশক্তি বৃদ্ধি, ঠান্ডা, কফ দূর করে থাকে। শুধু তাই নয়, এটি খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। আদার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান মেদ হ্রাস করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এমনকি এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রেখে খাবার খাওয়ার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

প্রতিদিন এক কাপ করে ছয় মাস এই পানীয় পান করুন। আর পেয়ে যান কাঙ্ক্ষিত কোমর।

বমির লক্ষণগুলো বোঝা জরুরি

দূষিত খাবার থেকে পাকস্থলীতে রোগজীবাণুর সংক্রমণ হলে বমি হয়ে থাকে। তবে কখনো কখনো গুরুতর রোগের লক্ষণ হিসেবেও বমি হতে পারে। বমির কারণ বুঝতে হলে এর রং এবং আনুষঙ্গিক লক্ষণ যাচাই করা প্রয়োজন।
সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষের পেটব্যথা, পাতলা পায়খানা, অস্বস্তি বা বমি বমি ভাব ছাড়াই হঠাৎ করে বমি শুরু হলে একে খাদ্যনালির প্রদাহ হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না। আর বমির সঙ্গে তীব্র মাথাব্যথা থাকলে তা অনেক সময় মস্তিষ্কের ভেতরের চাপ বৃদ্ধির লক্ষণ হতে পারে। তবে বমি বা ডায়রিয়ার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা হলেও মাথাব্যথা হতে পারে। বমির পাশাপাশি তীব্র পেটব্যথা হলে পিত্তথলি, অগ্ন্যাশয় বা অ্যাপেন্ডিক্সের প্রদাহ নির্ণয়ে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হবে। আলসার থাকলেও এমন পেটব্যথা হতে পারে।
বমি শুরু হওয়ার আগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাথায় আঘাতের ইতিহাস, বমির পাশাপাশি অসংলগ্ন আচরণ বা কথাবার্তা, বোধশক্তি বা চেতনা কমে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ থাকলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিলেই ভালো হবে। বমির রং সবুজ বা হলুদ হলে (বিশেষ করে শিশুদের) অথবা লাল বা বাদামি কিংবা রক্তবমি হলে, বমির সঙ্গে প্রচণ্ড জ্বর থাকলে সেগুলোকে খারাপ লক্ষণ হিসেবে ধরে নিতে পারেন। প্রস্রাবে সংক্রমণ হলেও বমি হয়, এর সঙ্গে থাকে জ্বর, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কিংবা তলপেটে ব্যথা। ক্রমাগত বমি, যদি তা পরিমাণে অল্পও হয় এবং পানিশূন্যতার বিভিন্ন লক্ষণ দেখা গেলে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়াই ভালো।
কী করবেন?
* গুরুতর কিছু না হলে বাড়িতেই বিশ্রামে থাকুন। বমি হওয়ার ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে কিছু খাবেন না।
* বমি হওয়ার ১৫-২০ মিনিট পর সামান্য পানি বা ওরস্যালাইন পান করুন। পেটে সহ্য হলে পানি বা স্যালাইনের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ান। তবে আবার বমি হলে ১৫-২০ মিনিট খাওয়া বন্ধ রাখুন। অন্তত ছয় ঘণ্টা তরল খাবার চালিয়ে যান। এরপর কলা, ভাত, আপেলের চাটনি আর টোস্ট বিস্কুট খেতে পারেন। এগুলো সহজপাচ্য খাবার।
* নারীদের বারবার বমি বা বমি ভাব হলে শেষ মাসিকের তারিখটি কবে ছিল ভেবে দেখুন।

মজাদার চিংড়ি পিঁয়াজু



চিংড়ির নাম শুনলে অনেকের জিবে পানি চলে আসে। আর তা যদি হয় মজাদার চিংড়ি
পিঁয়াজু, তাহলে তো কথায়ই নেই। কিন্তু জিবে জল এলে শুধু হবে না। এটি কিভাবে তৈরি
করতে হবে এবার তা জেনে নিন।

*যা যা লাগবে*

চিংড়ি মাছ লেজসহ এক কাপ, মুসুরির ডাল আধ কাপ, মটর ডাল আধ কাপ, পিঁয়াজ কুচি ৪টি
বড়, চার থেকে পাঁচটি কাঁচা মরিচ কুচি, আদা বাটা এক চা চামচ, রসুন বাটা এক চা
চামচ, লবণ স্বাদ মতো, খাওয়ার সোডা একচিমটি।

*যেভাবে করতে হবে*

এবার সব একসঙ্গে করে মাখিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর চিংড়ি মাছের লেজ বের করে ফেলুন।
সেই সঙ্গে বাকি মাছে ডাল বাটা লাগিয়ে শুধু তেলে লাল করে ভেজে নিন। এবার গরম
গরম পরিবেশন করুন মজাদার চিংড়ি পিয়াজু।


কিছু স্বাস্থ্য টিপস যা মানলে আপনি উপকৃত হবেন


১. কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ঠোটে ঘষুন, কালা দাগতো উঠবেই সাথে ঠোটে গোলাপী ভাব আসবে।

২. কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন,চলে যাবে।

৩. ব্রনের উপর রসুনের কোঁয়া ঘষে নিন ,তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে।

৪. পায়ের গোড়ালী ফাটলে, পেয়াজ বেটে প্রলেপ দিন। ক্রীম কিংবা স্ক্রাবের ঝামেলায় যেতে হবেনা।

Weight Loss করার জন্য খান ৫টি খাবার

Weight Loss করার জন্য খান ৫টি খাবার Top 5 foods যা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে। ওজন কমানোর বিষয়টা বেশ গোলমেলে। সকলের জন্য সব পদ্ধতি কাজ করে না, সবাই একই পদ্ধতিতে ওজন কমাতে পারেন না। কিছু খাবার আছে যেগুলো শরীরের চর্বি কাটাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে পেটের মেদ কমাতে উপকারী এইসব খাবার সম্পর্কে জানা থাকলে ওজন নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হয়।
কারো এক রকম ডায়েটে কাজ দিলে অন্য কারোই আবার সেটায় ওজন বাড়ে। ব্যায়ামের ক্ষেত্রেও তাই। তাছাড়া লিঙ্গ ও বয়স ভেদেও ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে আছে আকাশ পাতাল পার্থক্য। তবে রয়েছে এমন কিছু উপায়, যেটা অবলম্বন করলে যে কারো ওজন কমতে বাধ্য।

Weight Loss করার জন্য খান ৫টি খাবার

(1) Grape (আঙুর)
ওজন কমাতে আঙুর ম্যাজিকের মতো কাজ করে | এর মধ্যে থাকা phyto chemicals শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা কমায় | ক্যালোরিও কমে | ফ্যাট জমতে দেয় না | meal-এর আগে অল্প আঙুর বা সারা দিনে তিনবার grape juice খেলে ওজন কমবেই কমবে |
(2) Cinnamon (দারচিনি)
Quarter teaspoon of cinnamon- অনেক benefit | রোজ খেলে Blood Sugar, Cholesterol, Triglyceride-এর level কম করে এবং নিয়ন্ত্রণে রাখে | ব্রেকফাস্টেও সামান্য পরিমাণে খেতে পারেন |
(3) Chili peppers (লাল লঙ্কা)
খুব ভালো weight-loss boost | ব্রেকাফাস্টে Spicy Egg-white Omelet বা Scrambled Egg-এ red chili মিশিয়ে খান | লঙ্কায় থাকা capsaicin আপনার appetiteকে suppress করবে |
(4) Fennel Tea (মৌরির চা)
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে Potassium, Magnesium ও Calcium | এছাড়া Vitamin B ও C | Fennel Tea খিদে কমায় ও metabolism boost করে, যা সত্যিই ওজন কমাতে সাহায্য করে |
(5) Salad
রোজ main meal খাওয়ার আগে low calorie salad খেলে ওজন কমানো কেউ আটকাতে পারবে না | তবে salad-এ veg item-এর সঙ্গে কখনই fatty dressing নেবেন না | বরং সামান্য Olive Oil ও Balsamic Vinegar স্যালাডে মিশিয়ে খান |

Top tips to lose weight

Eat regularly:


খিদে পেলেই খান তবে ভাজাভুজি নয় | Good snacks হলো Vegetable Sticks and Low Fat Chips, Scones, Sandwiches, Toast, Smoothies and Low Fat or Diet Yogurt.

Take a walk at lunch time:

কাজটা সামান্য কিন্তু benefit অনেক | অফিসে বা বাড়িতে যেখানেই থাকুন lunch-এর আগে সামান্য হেঁটে নিন বা exercise করুন|

Go shopping with a list:

List করে food shopping করুন | সময় ও শরীর দুই-ই বাঁচবে | অযথা Chocolate counter-এর সামনে দাঁড়িয়ে থাকবেন না | এতে tempted হবেন্| result হবে weight gain | এর থেকে ভালো ভরা-পেটে shopping করা |

Don’t be conned by marketing:

অনেক Packed Food-এর উপর লেখা থাকে ‘low fat’ | এর মানে কিন্তু Low Calorie নয় | Dessert Food-এ low fat থাকলেও অনেক সময় sugar amount বাড়িয়ে দেয় | তাই কী খাচ্ছেন তা আগে জেনে নিন |

Get Support:

যদি long term-এ ওজন কমাতে চান তবে আপনার surrounding support খুব জরুরি | আপনার diet, lifestyle যদি আরও এক family member মেনে চলে তবে আপনার পক্ষে এসব চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, কারণ আপনিও যা করছেন তাতে morale support হবে |
পুষ্টিবিজ্ঞানীরা ৭ ধরনের খাদ্যোপাদানকে ‘ম্যাজিক ফুড’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁদের মতে, Weight Loss করার জন্য ৫টি খাবার খেলে ওজন অবশ্যই কমবে।


রাতে আরামে ঘুমানোর জন্য ফাটাফাটি Health Tips

সাধারণত রাতে ঘুমানোর আগে আগে সবাই একবার বাথরুম সেরে ফেলেন। খুব দরকার না হলে বা ঘুম নিরবচ্ছিন্ন হলে বাকি ছয়-সাত ঘণ্টায় আর বাথরুমে যাওয়ার দরকার পড়ে না। কিন্তু কারও যদি নিয়মিত রাতে ঘুম ভেঙে দু-তিনবার বাথরুমে প্রস্রাব করতে যেতে হয়, তবে তা বিরক্তির উদ্রেক করে বৈকি।

 সে ক্ষেত্রে কতগুলো স্বাস্থ্য সমস্যার কথাও মনে রাখতে হবে।
  • সন্ধ্যার পর বেশি পানি, চা-কফি ইত্যাদি পান করলে রাতে প্রস্রাবের বেগ হতে পারে বেশি। আবার কিছু ওষুধের কারণেও তা হচ্ছে কি না, লক্ষ করুন।
  • অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস প্রস্রাব বেশি হওয়ার একটা প্রধান কারণ। ডায়াবেটিস ইনসিপিডাসে (এটি বিরল) সারা দিনে কয়েক লিটার প্রস্রাব হতে পারে।
  • নারীদের গর্ভকালীন সময়ে মূত্রথলির ওপর বাড়ন্ত জরায়ুর চাপ পড়ে। এতে রাতে বারবার প্রস্রাব হয়। একই কারণে পুরুষদের প্রস্টেট গ্রন্থি বড় হলেও রাতে বারবার বাথরুমে যেতে হয়।
  • প্রস্রাবে সংক্রমণ বা মূত্রথলিতে সংক্রমণ হলেও এমন সমস্যা হতে পারে। সঙ্গে জ্বর, প্রস্রাবে জ্বালা-ব্যথা থাকতে পারে।
  • বয়োবৃদ্ধ, মেনোপজ-পরবর্তী নারী এবং দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসের রোগীদের মূত্রথলির ধারণক্ষমতা কমে যায়। সে ক্ষেত্রে সামান্য প্রস্রাব জমা হলেই বেগ পায়।
  • অনিদ্রার ও মানসিক চাপও বারবার প্রস্রাবের জন্য দায়ী হতে পারে।
এমন সমস্যার ক্ষেত্রে সন্ধ্যার পর বেশি পানি বা পানীয় থেকে বিরত থাকুন। কেউ কেউ রাতে শোয়ার আগে অনেক ওষুধ খান, তাই পানিও খাওয়া পড়ে। চেষ্টা করুন রাতের খাবারের আগেই ওষুধগুলো খেয়ে ফেলতে। কোনো ওষুধের সময়সূচি পাল্টাতে হবে কি না, চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করুন। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না বা প্রস্রাবে কোনো সংক্রমণ আছে কি না, তা-ও দেখে নিন।

Slim Figure পাওয়ার গোপন রহস্য জেনে নিন

Slim Figure পাওয়ার গোপন রহস্য কে না জানতে চায়? আজকের আয়োজন কিভাবে খুব সহজে Slim Figure পাবেন কিছু tips ফলো করে।
সারাদিন ব্যস্ত থাকেন, ব্যায়াম কিংবা ডায়েট করার সময় নেই। ফলে হু হু করে বেড়ে চলেছে ওজন! আপনিও কি এই সমস্যায় আক্রান্ত? যদি তাই হয় তবে জেনে রাখুন, সন্ধ্যা ও রাতের সময়টায় মাত্র ৪টি সহজ কাজ করেই কমাতে পারবেন বাড়তি ওজন। বাড়তি কোন সময় লাগবে না, কাজের ক্ষতি হবে না।, কেবল রপ্ত করে নিন কিছু সহজ অভ্যাস। আর এগুলোই আপনাকে খুব সহজে করে দেবে স্লিম ও সুন্দর!
মোটা শরীর নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্তিতে পড়ে অহরহ। আর সেই সমস্যা থেকে নিজেকে মুক্ত করার জন্য অনেকেই অনেক রকমের পদ্ধতি অবলম্বন করে। কিন্তু যথাযথ প্রকৃয়ায় নিজের শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা বলেই তাদের অনেকে মোটা শরীর নিয়ে ঘরে-বাইরে প্রতিনিয়ত বিপাকে পড়ে।
 আজকাল প্রায় কমবেশী সকল নারীই স্বাস্থ্য সচেতন। সকলেই এখন চেষ্টা করেন স্লিম থাকতে, পাশাপাশি নিজের শরীরের নানান অঙ্গগুলো সুগঠিত রাখতে। শরীরের একেকটি অঙ্গ সুন্দর করতে চাই ভিন্ন ভিন্ন ব্যায়াম। ডায়েটিং করে ওজন তো কমানো যায়, কিন্তু এর অনেক খারাপ প্রভাব পড়ে দেহের সৌন্দর্যের ওপরে।
কিশোর কিশোরি থেকে তরুণ সবাই এখন ছুটছে স্লিম ফিগারের পেছনে। আমাদের অনেকের জীবনেই স্থূলতা বা বাড়তি ওজন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাড়তি ওজন শুধু শারীরিক নয় বিভিন্ন মানসিক ও সামাজিক সমস্যারও কারণ হয়ে দেখা দেয়। তাই আমরা বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থ দেহ আর কাঙ্ক্ষিত ফিগার পেতে চাই। এটা সত্যি চাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের কোনো কার্পণ্য নেই তবে সমস্যা দেখা যায় কাঙ্ক্ষিত সেই গোলে যেতে আমরা যে পথ অবলম্বন করি সেখানে। এটা বলছি এজন্য যে, আমরা ওজন নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর প্রথম যা করি তা হচ্ছে খাবার নিয়ন্ত্রণ। আমাদের বাড়তি ওজনের জন্য যত শত্রুতা যেন শুধু খাবারের সঙ্গে। কয়েক দিন না খেয়ে থেকে অনেকে আবার অসুস্থ হয়ে যাই, আর কেউ কেউ এক সপ্তাহেও কোনো পরিবর্তন না দেখে কিছুটা বিরক্তি নিয়ে আবার আগের মতোই খেতে শুরু করেন। অতএব ফলাফল হয় শুন্য। আসুন প্রথমে তিন মাস টার্গেট নিয়ে চেষ্টা করি ওজন কমানোর। এই তিনমাস একটু কষ্ট হলেও নিয়মগুলো মেনে চলি, তারপর ওজন মেপে দেখি। আসুন আমরা Slim Figure পাওয়ার গোপন রহস্য কয়েকটি টিপস সহজভাবে জেনে নেই: 

১. হালকা নাস্তার অভ্যাস:
আমরা অনেকেই ডায়েট করছি ঠিকই কিন্তু দেখা যায় সন্ধ্যার নাস্তার টেবিলে পেট ভর্তি করে আহার করে ফেলি। সন্ধ্যার নাস্তায় অনেক ভারী খাবার খেয়ে ফেলি। এই বাজে অভ্যাসটির কারণে আপনার ওজন আরও দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই যতটা সম্ভব চেষ্টা করবেন সন্ধ্যার নাস্তাটি হালকাভাবে সেরে নেয়ার। একেবারেই না হলেই না এমন খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে আপনি যদি নাস্তা করার অভ্যাসটি বাদ দিতে পারলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো উপকার পাওয়া যাবে।

২. রাতের খাবারের পর অন্যকিছু না খাওয়া :
রাতের খাবারের পর অনেকের অভ্যাস থাকে আরও কিছু খেয়ে ফেলা। অনেকেই খাবারের পরপর মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে অনেক বেশি পছন্দ করেন। এই ধরনের অভ্যাস থেকে থাকলে তা থেকে যত শীঘ্রই সম্ভব নিজেকে মুক্ত করুন। রাতের খাবারের পর আর কিছুই খাবেন না। প্রয়োজনে পানি খেতে পারেন।

৩. হালকা শারীরিক ব্যায়াম:

রাতের খাবারের পর একটু সময় নিয়ে হালকা ধরনের শারীরিক ব্যায়াম করে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন একেবারে রাতের খাবারের পরপর ব্যায়াম না করে একটু সময় বিশ্রাম নিয়ে তারপর ব্যায়াম করুন। এভাবে প্রতিদিন রাতে হালকা ধরনের কয়েকটি ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন। এর ফলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসবে।
৪. তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস:
অনেকেই রাত জাগতে পছন্দ করে। এতে করে রাতে ক্ষুধার প্রবণতা বাড়ে এবং অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে থাকে। আবার রাত জাগার ফলে অযথা শরীর খারাপ হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। তাই রাত জাগার এই বদ অভ্যাসটি বাদ দেয়ার চেষ্টা করুন এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকবে এবং আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরে যাবে। আর তখন স্লিম ফিগার নিয়ে আপনিও থাকবেন অনেক বেশি ফুরফুরে মুডে।
খেতে হবে প্রচুর পানি পান করুন প্রতিবার খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ আগে একগ্লাস পানি পান করুন উচ্চ শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য যেমন—চাল, আলু খেতে হবে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেতে হবে কম ক্যালরিযুক্ত তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে পারেন প্রতিদিন সকালে গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করুন সাধারণ চা বা কফির পরিবর্তে সবুজ চা পান করুন শসা ও ভিটামিন সি জাতীয় টক ফল ওজন কমাতে সাহায্য করে। এগুলো বেশি খেতে পারেন। তিক্ত স্বাদযুক্ত সবজি বিশেষ করে করলা বাড়তি ওজন কমানোর জন্য খুবই কার্যকর মসলাজাতীয় খাবার যেমন: আদা, দারচিনি, কালো মরিচ ওজন কমাতে সাহায্য শীতের সবজি বাঁধাকপি খেলে ওজন কমে কাঁচা বা রান্না যেভাবে ইচ্ছা বেশি পরিমাণে খান খাওয়া যাবে না খাওয়ার সময় অতিরিক্ত লবণ খেলে এই অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে উচ্চক্যালরি ও উচ্চ ফ্যাটযুক্ত ফাস্টফুড জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন মিষ্টি শরবত, কোমল পানীয়, সব রকম মিষ্টি, তেলে ভাজা খাবার, চর্বিযুক্ত মাংস, তৈলাক্ত মাছ, বাদাম, শুকনা ফল, ঘি, মাখন, পনির, দুধের সর এসব খাবার যত পছন্দেরই হোক বাদ দিতে হবে রাতে খাবারের পর অনেকেই অতিরিক্ত কিছু খেতে পছন্দ করেন অপ্রয়োজনীয় এ খাবারটুকু একদম বাড়তি ওজন যোগ করে আমাদের শরীরে কোনো সফলতা সেলিব্রেট করার সময় পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে খাবার খাওয়ার প্লান বাদ দিয়ে বরং কোথাও ঘুরে আসুন কায়িক শ্রম ব্যায়াম একটি কথা মনে রাখা দরকার, শুধু খাদ্য নিয়ন্ত্রণই আমাদের ওজন কমাতে পারে না। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা থেকে যদি ৫০০ ক্যালরি কমাতে পারি তাহলে ওজন কমে প্রতিসপ্তাহে আধা কেজি। কিন্তু আমরা প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে হাঁটি, সাইকেল চালাই অথবা সাঁতার কাটি তখন দেখবেন ওজন কমছে ২ গুণ। তবে যারা কায়িক শ্রম বেশি করেন তাদের ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই।


সময়ের অভাবে যারা আলাদা করে এক্সারসাইজ করতে পারেন না, তারা সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসেই কিছু ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ করে নিন। আর কাছাকাছি দূরত্বে কোথাও যেতে হলে হেঁটে যান, ওপরে উঠতে লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়িতে চলুন। এক গ্লাস পানি বা প্রিন্ট দেওয়া কাগজ আনতে কাউকে না বলে নিজেই উঠে গিয়ে নিয়ে নিন। শরীরের বাড়তি ওজন এক সপ্তাহে বাড়েনি, তাই খুব অল্প দিনে কমে যাবে এটা ভাবা ঠিক নয়, দীর্ঘ তিন মাসের পরিকল্পনা করুন, ধৈর্য ধরে চেষ্টা করুন স্বপ্নের সেই হারানো কাঙ্ক্ষিত ফিগার পেয়ে যাবেন মাত্র তিন মাসে।

Rebonding করা চুলের যত্ন করবেন যেভাবে

স্ট্রেট বা সোজা চুল কে না চায়! আর সেজন্য অনেকেই চুল Rebonding করান। Rebonding করতে অনেক কেমিক্যাল ব্যবহার করার কারণে চুলের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় চুল পড়ার সাথে ভঙ্গুরও হয়ে যায়। তাই রিবন্ডিং করা চুলের জন্য চাই বাড়তি যত্ন। আসুন জেনে নেয়া যাক এই ধরনের চুল কিভাবে যত্ন নেবেন।

Rebonding করা চুলের যত্ন করবেন যেভাবে
 
  • রিবন্ডিং চুল খোলা রাখা হয় বলে দ্রুত ময়লা হয়ে যায়। তাই সপ্তাহে অন্তত তিনদিন শ্যাম্পু করুন। চুল রুক্ষ হয়ে গেলে অবশ্যই মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। আর শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার লাগাতে একেবারেই ভুলবেন না।
 
  • চুল যেদির শ্যাম্পু করবেন তার আগের দিন রাতে নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল চুলে ভালভাবে ম্যাসেজ করুন। এরপর মোটা দাাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল কিছুক্ষণ আঁঁচড়ে নিন। গোসলের আগে গরম পানিতে তোয়ালে ডুবিতে চুল কিছুক্ষণ পেঁচিয়ে রাখুন। এতে মাথায় রক্ত সঞ্চালন বাড়বে ও চুলের রুক্ষভাব কমবে।
 
  • রিবন্ডিং চুলের বাড়তি যত্নে ক্ষেত্রে প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য একটি ডিমের সঙ্গে ১ চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল, ১ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এরপর এটি গোড়াসহ সম্পূর্ণ চুলে লাগান। শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে ফেলুন। পরে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
 
  • চুল নিস্তেজ হয়ে পড়লে শ্যাম্পু করার পর দুই লিটার পানিতে কয়েক ফোঁটা ভিনেহগার মিশিয়ে চুল ধুতে পারেন। এতে চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।
 
  • খুশকির সমস্যা বাড়লে মাথার তালুতে লেবু বা পেঁয়াজের রস লাগান।
 
  • চুলের সিল্কি ভাব ধরে রাখতে চার কাপ পানিতে চা-পাতা ফুটিয়ে ঠা্লা করে ছেঁকে নিন। এরপর সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
 
এভারে নিয়মিত যত্ন নিলে রিবন্ডিং করা চুল সুন্দরই হবে না, একই সঙ্গে এর স্থায়ীত্বও বাড়বে।
ব্রণ দূর করতে দারুন কার্যকরী গোলাপজল

ব্রণ দূর করতে দারুন কার্যকরী গোলাপজল

ব্রণের সমস্যায় ভোগেন কমবেশি অনেকেই। ময়লা জমে লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ, মানসিক চাপ ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে ব্রণ উঠতে পারে। প্রাকৃতিকভাবে ব্রণ দূর করার এক মহৌষধের নাম গোলাপজল। লোমকূপ থেকে ময়লা বের করে ত্বক পরিষ্কার রাখে এটি। প্রতিদিন ত্বকে গোলাপজল ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে ব্রণ ও ব্রণের দাগ মিলিয়ে যাবে। জেনে নিন কীভাবে ব্যবহার করবেন গোলাপজল-

গোলাপজল ও লেবু

১০ ফোঁটা গোলাপজল ও ৬ ফোঁটা লেবুর রস একসঙ্গে মেশান। ত্বকের যেখানে ব্রণ বেশি ওঠে সেখানে লাগান। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত করলে লেবুর অ্যাসিডিক গুণ ও গোলাপজলের নমনীয়তা দূর করবে ব্রণের সমস্যা।

গোলাপজল ও কমলার খোসা

কমলার খোসা শুকিয়ে গুঁড়া করে নিন। গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। কমলার খোসায় থাকা ভিটামিন সি ত্বক উজ্জ্বল করার পাশাপাশি দূর করবে ব্রণ।

গোলাপজল ও চন্দন

চন্দনের গুঁড়ার সঙ্গে গোলাপজল মেশান। পেস্টটি সরাসরি ব্রণের উপর লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

গোলাপজল ও আদা

আদার রসের সঙ্গে গোলাপজল মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। আদার অ্যান্টি-ব্যাকটেবিয়াল উপাদান ব্রণ দূর করার পাশাপাশি ব্রণের দাগ থেকেও মুক্তি দেবে