Showing posts with label যৌন স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label যৌন স্বাস্থ্য. Show all posts

পিরিয়ডের সময়ে মেয়েদের যৌনাকাঙ্ক্ষা বেশি হয় কেন?

মেয়েদের পিরিয়ডের সময় বিশেষ কিছু সমস্যার দেখা দেয়। তবে পিরিয়ড সংক্রান্ত সমস্যাগুলো অনেক মেয়েরা মুখ ফুটে বলতেই চান না কারো কাছে। আপনার যদি এমন কিছু সমস্যা থাকে কিন্তু তা নিয়ে গাইনি রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে না চান, তাহলে এখানেই দেখে নিতে পারেন কিছু সমাধান।
.
* পিরিয়ডের সময়ে যৌনাকাঙ্ক্ষা বেশি হওয়া : পিরিয়ডের সময়ে কারও কারও যৌনাকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে এটা একেবারেই দেখা যায় না। এটা এস্ট্রাডিওল নামের একটা প্রাইমারি সেক্স হরমোনের কারণে হতে পারে। প্রোজেস্টেরনেরও কিছু ভূমিকা থাকতে পারে এর পেছনে। পিরিয়ডের সময়ে একজন নারীর শরীরে ইস্ট্রোজেন লেভেল অনেক কম থাকে, কিন্তু টেস্টোস্টেরোনের লেভেল থাকে বেশি। টেস্টোস্টেরোন নারীর যৌনাকাঙ্ক্ষার সাথে সম্পর্কিত। এ কারণে ইস্ট্রোজেন কমে টেস্টোস্টেরোন বেড়ে গেলে তাদের যৌনাকাঙ্ক্ষা বেড়ে যেতে পারে।

.
* পিরিয়ডের সময়ে টয়লেট হ্যাবিট পরিবর্তিত হওয়া : এ সময়ে শরীরে প্রোস্টাগ্লান্ডিস নামের হরমোন জাতীয় এক ধরণের রাসায়নিক জিনিসে পরিবর্তন আসে। পিরিয়ডের শুরুর দিকে এর কারণে মেয়েদের ইউটেরাস সংকুচিত হতে থাকে এবং এর ফলেই ব্যাথা হতে পারে। প্রোস্টাগ্লান্ডিস আমাদের হজমতন্ত্রেও পরিবর্তন আনে। এর কারণে আমাদের ঘন ঘন টয়লেটে ছুটতে হতে পারে। আবার এটা কম হলে আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্ও হতে পারে। তবে পিরিয়ডের সময়ে যদি আপনার মল পিচ্ছিল মনে হয় তাহলে অবশ্য আপনার ডাক্তারের কাছে যাওয়াই ভালো কারণ এটা অন্য কোনো সমস্যার নির্ধারক।
.
* টক্সিক শক সিনড্রোম হওয়া : অনেকেই জানেন, যে পিরিয়ডের সময়ে প্যাড বা ট্যাম্পন সময়মত পরিবর্তন না করলে টক্সিক শক সিনড্রোমের কারণে হাসপাতালে ছুটতে হতে পারে। এর উপসর্গ হতে পারে বেশ জ্বর, লো ব্লাড প্রেশার, বিভ্রান্তি এবং এনার্জির কমতি। এ থেকে খুব দ্রুতই কোমা, অর্গান ফেইলিওরের মত ভয়ংকর সব সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনি যদি মনে করেন আপনার এমন কোনও সমস্যা হতে পারে, তাহলে খুব দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।
.
* পিরিয়ডের সময়ে মেজাজ ওঠানামা : প্রি মেন্সট্রুয়াল সিনড্রোম আসলে অনেকগুলো, এর মাঝে একটি হলো মেজাজের ওঠানামা। হঠাৎ করেই দুঃখ, বিষণ্ণতা, রাগ আপনাকে ছেঁকে ধরতে পারে। আবার আবেগ বেশি হতে পারে, এক মেজাজ থেকে আরেক মেজাজে চলে যেতে পারেন দ্রুতই। এর পাশাপাশি দেখা যায় শরীর ফুলে যাওয়া এবং মাথাব্যাথার মত সমস্যাগুলো। কারণ পিরিয়ডের সময়ে শরীরে থাকা হরমোনগুলো মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারকে প্রভাবিত করে। এসব সমস্যা কম রাখতে আপনার খাদ্যভ্যাস রাখা উচিৎ স্বাস্থ্যকর।
.
* হেভি ব্লিডিং হওয়া : পিরিয়ডের সময়ে সাধারণ একজন নারী ৮-১৪ চা চামচ রক্ত হারান। এতে প্রতিদিন আড়াই টেবিল চামচের মত রক্তক্ষরণ হয়। তবে প্রতি নারীর জন্যই এটা আলাদা হয়। কিন্তু আপনার যদি হেভি ব্লিডিং হয় তবে ভেতরে কোনো সমস্যা থাকতে পারে। হেভি ব্লিডিং এর পাশাপাশি যদি মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি বা অতিরিক্ত পেট ব্যাথা থাকে তবে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিৎ। রক্তক্ষরণের পেছনে অবশ্য মেনোপজ বা প্রেগনেন্সিরও ভূমিকা থাকতে পারে।
.
* পিরিয়ড সাইকেলে সমস্যা : আপনার স্বাভাবিক পিরিয়ডের সময়ে যদি কোনো সমস্যা দেখা যায়, পিরিয়ড যদি মিস করেন, অথবা খুব বেশি সময় ধরে পিরিয়ড চলে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিৎ।

পুরুষদের জন্য --> যৌন দুর্বলতা থেকে বাচতে কি কি করবেন !!

আগেরকার দিনে রাস্তাঘাটে কিছু লোক কবিরাজ পরিচয় দিয়ে কোমলমতি যুবকদের বোকা বানিয়ে নানা প্রকার যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করতো। কিন্তু এখন যুগের পরিবর্তন হয়েছে। তাই তাদের প্রতারণার ধরনও বদলেছে। 
 
আজকাল ফেইসবুকে নানা প্রকার অশালীন ছবি দিয়ে কোমলমতি যুবকদের মনে দুর্বলতা তৈরী করে নানা প্রকার যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করা হয়ে থাকে।
ভালো করে শুনে রাখুন - এই সব মাদক শ্রেনীর যৌন উত্তেজক ঔষধ খেয়ে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলবেন না। এই সকল ঔষধ খেতে থাকলে আপনি সাময়িক কিছুটা উত্তেজনা অনুভব করবেন ঠিকই কিন্তু কিছু দিন কন্টিনিউ করলেই বুঝতে পারবেন আপনি ধীরে ধীরে এই সকল যৌন উত্তেজক ঔষধের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছেন এবং এটা ছাড়া আপনি আর যৌন মিলন করতে পারছেন না।

শুধু তাই নয়, তখন দেখবেন আপনার শরীরে আর কোনো যৌন উত্তেজক ঔষধই কাজ করছে না, আর আপনি ধীরে ধীরে কিডনি, লিভার সহ আরো নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এই রকম ভুরি ভুরি দৃষ্টান্ত রয়েছে।

তাই লোভে পড়ে এই সকল যৌন উত্তেজক মাদক শ্রেনীর ঔষধগুলি লুকিয়ে লুকিয়ে কিনে খেয়ে খেয়ে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলবেন না।

মনে রাখবেন পুরুষ মানুষ যৌন শক্তি লাভ করে দৈনন্দিন খাবার দাবার থেকেই। তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার, দুধ, ডিম ইত্যাদি খাবার মেনুতে রাখুন আশা করি আপনি যৌন দুর্বলতায় ভুগবেন না।

কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় কিছু শ্রেনীর মানুষ নানা প্রকার খারাপ অভ্যাসের কারণে অথবা অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে যৌন সমস্যায় ভুগে থাকে, সে ক্ষেত্রে সঠিক কারণটি নির্ণয় করে প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে কিছু দিনের মধ্যেই যৌন সমস্যা আজীবনের জন্য দূর হয়ে যায়, তার জন্য বার বার ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন হয় না।

কিন্তু দেখা গেছে - ঐ অবস্থায় অনেকেই না বুঝে এবং প্রতারকদের পাল্লায় পড়ে যৌন উত্তেজক ঔষধ খাওয়া শুরু করে দেয় - তাতে সমস্যাটি বরং আরো জটিল আকার ধারণ করে। তাই এই সব মাদক শ্রেনীর যৌন উত্তেজক ঔষধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং যেকোনো যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ কোনো হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কারণ একমাত্র হোমিও ট্রিটমেনটেই যৌন সমস্যা মূল থেকে দূর হয়ে যায়।

ছেলে অথবা মেয়ে সন্তান চান? তাহলে কি করবেন?

গর্ভের সন্তানটি ছেলে হবে না মেয়ে হবে, তা কি আসলে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি? অনেকেরই শখ থাকে তার পরবর্তী সন্তানটি হবে ফুটফুটে একটি মেয়ে অথবা দুরন্ত একটি ছেলে। একেবারে নিশ্চিত হবার কোনো উপায় না থাকলেও, ছোট্ট একটি প্রাকৃতিক কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে।
 মূলত শারীরিক মিলনের সময়ের ওপরে নির্ভর করে এই পদ্ধতি। তা কি করে কাজ করে জানতে হলে আপনাকে প্রথমেই দুইটি বিষয়ে জ্ঞান রাখতে হবে। একটি হলো ওভিউলেশন বা ডিম্বপাত নামের প্রক্রিয়াটি কিভাবে কাজ করে, আরেকটি হলো স্পার্ম বা শুক্রাণু কিভাবে একে প্রভাবিত করে।
প্রথমে দেখা যাক ওভিউলেশনের প্রক্রিয়াটি কিভাবে কাজ করে। নারীর শরীরে প্রতি মাসে পাঁচ দিনের একটি সময়সীমা থাকে যখন ওভিউলেশন হয়। ডিম্বপাতের তিন দিন আগে থেকে শুরু করে এক দিন পর পর্যন্ত হল গর্ভধারণের জন্য সবচাইতে উপযুক্ত সময়। কারণ ডিম্ব কার্যকরী থাকে মাত্র ২৪ ঘণ্টা, কিন্তু শুক্রাণু নারীর শরীরে পাঁচ দিন পর্যন্ত কার্যকরী থাকতে পারে।
এই সময়ের মাঝে গর্ভধারণ করা যাবে তা জানা গেলো। এবার আসুন সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা কিভাবে ঠিক করা যেতে পারে। জানতে হবে শুক্রাণুর প্রভাব। x ক্রোমোজোমধারি শুক্রাণু দ্বারা ডিম্ব নিষিক্ত হবার কারণে সন্তান মেয়ে হবে, আর Y ক্রোমোজোমের কারণে সে হবে ছেলে। Y শুক্রাণু তুলনামূলকভাবে অনেক ছোট, কিন্তু তা আবার বেশ দ্রুতগামী। তারা খুব বেশিক্ষণ জীবিত থাকে না। X শুক্রাণু বেশ বড় এবং ধীরগতির, কিন্তু তারা আবার একটু বেশ সময় বাঁচে।
এই দুইটি বিষয় জেনে রাখার পর আসুন দেখি করনীয় কি। ছেলে সন্তান চাইলে Y শুক্রাণু যাতে খুব দ্রুত ডিম্বের কাছাকাছি যেতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। এর জন্য নারীর যে দিন ডিম্বপাত হচ্ছে সে দিনেই মিলিত হওয়াটা জরুরি। নয়তো শুক্রানুটি আর কার্যকরী থাকবে না।
আবার আপনি যদি মেয়ে সন্তান চান তবে ডিম্বপাতের দুই থেকে তিন দিন আগে মিলিত হতে হবে। ডিম্বপাত হবার আগেই সব Y শুক্রাণু মারা যাবে, ফলে সন্তান ছেলে হবার সম্ভাবনা কম থাকবে। বেঁচে থাকবে X শুক্রাণুগুলো। ফলে মেয়ে সন্তান হবার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।

বীর্য ঘন করার উপায়

বীর্য ঘন করার আসল প্রাকৃতিক ঔষুধ হল মধু। প্রতিদিন তিন বেলা খাবার পর এক চা-চামচ বা তার কিছু কম খাবেন… তিন দিনের মধ্যে ফলাফল না পেলে চিকিতসকের পরামর্শ নিবেন।
অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন বীর্য ঘন করার উপায় সম্পর্কে। অনেকে আবার ওষুধ খেয়ে ঘন করতে না পেরে অতিষ্ঠ । তারা জানতে চান আসলেই কি বীর্য ঘন করার কোন উপায় আছে কিনা! হাঁ প্রাকৃতিক কিছু জিনিস যা আমদের হাতের কাছেই পাওয়া যায় যেমন রসুন হতে পারে আপনার বিবাহিত জীবনের নতুন বন্ধু।


প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ী হয় । যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ খাওয়া উচিত। এতে ভালো ফল পাবেন।যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস ২ বা ১ চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়।
তবে যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে।

রাতে শুবার সময় ইসুপগুলের ভুসি পানি দিয়ে খাবেন ৭ দিন খান ফলাফল নিজেই পাবেন। কোথায় আছে দাদা খেলে দাদি খুশি নানা খেলে নানি খুশি এরেই নাম ইসুপগুলের ভুসি।
 নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে এমনিতেই পুরুষের বীর্য ঘন হয়ে থাকে। যেমন প্রতিদিন দুধ, ডিম, মধু গ্রহণ করলে সাধারণত আর কোনো কিছুরই দরকার পড়ে না। অনেকে আবার সরাসরি ঔষধ খাওয়া শুরু করে দেন। তারও কোনো দরকার আছে বলে ডাক্তাররা মনে করেন না। কারণ পুরুষের বীর্য উত্পন্ন হয় সরাসরি তাদের খাবার থেকে।
 আর যদি কিছু খেতেই মনে চায় তাহলে “শিমুল মূল চূর্ণ” এবং “শিলাজুত” প্রতিদিন ১ চামচ পরিমান সকালে পানিতে মিশিয়ে সপ্তাহ বা ১০ দিন খেতে পারেন। এতেই কাজ হয়ে যাবে। “শিলাজুত” আগের দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। এগুলো প্রাকৃতিক। হোমিওপ্যাথিতেও বীর্য ঘন করার দারুন কিছু ঔষধ রয়েছে যেগুলির কোনো প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই এবং সারা বছরই আপনি খেতে পারবেন। কিন্তু আমরা রোগ-ব্যাধি ছাড়া কাউকেই কোনো প্রকার ঔষধ খাওয়ানোর পক্ষপাতি নই।
ধন্যবাদ।

কখন কনডম ছাড়া যৌন মিলন করলেও সন্তান হবে না?

ওষুধ সেবন, কিংবা কনডমসহ জন্ম নিয়ন্ত্রণের আধুনিক যেকোন পদ্ধতি ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে জম্ম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটি ভালভাবে জানা থাকলে এর জন্য কোন চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার দরকার হয় না। মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র (Menstrual cycle) প্রাকৃতিকভাবে নির্ধারিত। এতে এমন কিছু দিন আছে যা নিরাপদ দিবস (Safe period) হিসেবে ধরা হয়। এই দিবসগুলোতে স্বামী-স্ত্রীর মিলনের ফলে স্ত্রীর সন্তান সম্ভবা হবে না। এই নিরাপদ দিনগুলো প্রকৃতি গতভাবেই নির্দিষ্ট।
তাই একে প্রাকৃতিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বলা হয়। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এটাকে অনেক সময় ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলে থাকেন। এ পদ্ধতি কার্যকর করতে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনার স্ত্রীর ঋতুচক্রের নিরাপদ দিন কোনগুলো। এ জন্য সবার আগে জানা চাই তার মাসিক নিয়মিত হয় কিনা, হলে তা কতদিন পরপর হয়।

এবার সবচেয়ে কম যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ওই দিনটিই হলো প্রথম অনিরাপদদিন। আবার আপনার স্ত্রীর সবচেয়ে বেশি যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১০ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ঐ দিনটিই হলো শেষ অনিরাপদ দিন।
ধরুন, আপনার স্ত্রীর মাসিক ২৮ থেকে ৩০ দিন পরপর হয়। তাহলে ২৮-১৮=১০, অর্থাৎ মাসিকের শুরুর পর থেকে প্রথম ৯ দিন আপনার জন্য নিরাপদ দিবস, এই দিনগুলোতে অন্য কোনো পদ্ধতি ছাড়াই সঙ্গম করা যাবে। ১০ম দিন থেকে অনিরাপদ দিবস, তাই ১০ম দিন থেকে সঙ্গমে সংযম করতে হবে। আবার যেহেতু ৩০ দিন হলো দীর্ঘতম মাসিকচক্র।
তাই ৩০-১০=২০, অর্থাৎ ২০ তম দিন আপনার জন্য শেষ অনিরাপদ দিবস। ২১ তম দিবস থেকে আপনি আবার অবাঁধ সঙ্গম করতে পারবেন। তাতে সন্তান গর্ভধারণের সম্ভাবনা নাই। তবে এই উদাহরণে শুধু ১০ ম থেকে ২০ ম দিবস পর্যন্ত আপনি অবাঁধ সঙ্গম করলে আপনার স্ত্রীর গর্ভধারণ করার সম্ভাবনা আছে।
উপরে যেভাবে বলা হয়েছে, তাতে অনেকের কাছে জটিল মনে হতে পারে। তবে হিসাবের জন্য খুব সহজ পদ্ধতি হল, মাসিক শুরুর পর ১ম ৭ দিন আর মাসিক শুরুর আগের ৭ দিন অবাঁধ সঙ্গম করা নিরাপদ। মানে, এই সময় মিলন করলে সন্তান গর্ভে আসার সম্ভাবনা নাই।
জেনে রাখা ভালো অনিয়মিতভাবে মাসিক হবার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি কার্যকর নয়। এছাড়া প্রাকৃতীক জন্মনিয়ন্ত্রণ ৮০% নিরাপদ, বা এর সাফল্যের হার শতকরা ৮০ ভাগ। সাধারণত মাসিকের হিসেবে গণ্ডোগোল করে ফেলা, অনিরাপদ দিবসেও মিলনের সুযোগ নেয়া বা ঝুঁকি নেয়া, অনিয়মিত মাসিক হওয়া ইত্যাদি কারণে এই পদ্ধতি ব্যর্থ হতে পারে। তাই সঠিক হিসেব জেনে নেবার জন্য ১ম বার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
কিছু পুরুষের শুক্রাণুর আয়ু বেশি হওয়ায় তারা এটায় সফল নাও হতে পারেন। সেক্ষেত্রে অনিরাপদ দিবস ২ দিন বাড়িয়ে নেবার প্রয়োজন হতে পারে। অনেকে এটাকে Programmed সেক্স বলে একে ঝামেলাপূর্ণ মনে করেন, কিন্তু একবার এতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে এটা বেশ সহজ, আরামদায়ক এবং পার্র্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন।

রোগ সারাতে কালিজিরার গুণ

কালিজিরাকে বলা হয় সর্ব রোগের মহৌষধ। প্রচলিত আছে মৃত্যু ব্যতিত এটি সব রোগই
সারাতে পারে। তাই এটাকে খাবার না বলে পথ্য বলাই ভালো। জ্বর, কফ, শরীরের ব্যথা
দূর করার জন্য কালিজিরা উপকারিতার শেষ নেই। প্রতি ১০০ গ্রাম কালিজিরায় পাবেন
৩৪৫ কিলোক্যালরি, ফ্যাট ১৫ গ্রাম, সোডিয়াম ৮৮ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১৬৯৪
মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৫২ গ্রাম, প্রোটিন ১৬ গ্রাম। এসব উপাদান নানা ভাবে
আমাদের সুস্থ রাখতে দায়িত্ব পালন করে থাকে। তাই আসুন জেনে নেয়া যাক কালিজিরার
গুণ সম্পর্কে আরও কিছু খবর।

১। প্রতিদিন মাত্র দুই গ্রাম করে কালিজিরা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে টাইপ টু
ডায়বেটিসের আশঙ্কা কমে।

২। দিনে দুইবার করে কালিজিরার তেল খাওয়ার অভ্যাস উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে
সক্ষম। এই অভ্যাসে মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে উচ্চরক্তচাপের সমস্যা দুর করা সম্ভব।

৩। কালিজিরায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলন ক্যানসার পর্যন্ত রোধ করতে দারুণভাবে
সহায়তা করে। এছাড়াও কোনো রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিহীন উপকার করে থাকে।

৪। কালিজিরা মেধার বিকাশে এটি দারুণ কাজ করে। কালিজিরা নিজেই একটি
অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।

৫। দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে। জিহবা,
তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে। তবে পরিমাণের অতিরিক্ত কালিজিরা খেলে বদহজম হতে
পারে।

৬। কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে। তারুণ্য ধরে রাখে দীর্ঘকাল। কাজ করার
শক্তিকে বাড়িয়ে দেয় দ্বিগুণ।

৭। দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্যও কাজ করে। তাই প্রতিদিন অল্প করে কালিজিরা
ভাত-রুটির সঙ্গে বা কাঁচা খেতে পারেন। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান।

৮। পেটের যাবতীয় রোগজীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। যারা মোটা হতে চান,
তাদের জন্য কালিজিরা উপযুক্ত পথ্য।

৯। যাদের শরীরে পানি জমে হাত-পা ফুলে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে, তাদের পানি জমতে
বাধা দেয় কালিজিরা।

১০। সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে।

১১। কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগজীবাণু
ধ্বংসকারী উপাদান। এ উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ হয় না।

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের লিঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে কেন?

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের লিঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে। সম্প্রতি এর কারণ বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকরা। পুরুষেরা ভোরে যৌনতায় আগ্রহী হলেও নারী এ সময় যৌনতায় সেভাবে আগ্রহী থাকে না। এর মূল কারণ টেস্টোস্টেরন হরমোন বলে মনে করছেন তারা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।


সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের লিঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে কারণ

রাতে যখন নারী ভালোবাসার পরিপূর্ণ স্বাদ নিতে চান তখন পুরুষ ঘুমে ঢুলতে থাকে। গবেষকরা জানিয়েছেন, এর কারণ হলো নারী ও পুরুষের হরমোনের পার্থক্য। আর এ পার্থক্যের কারণেই উভয়ের দেহঘড়ি একত্রে চলে না। গবেষকরা এক্ষেত্রে কয়েকটি সময়ের বর্ণনা করেছেন, যে সময়ে নারী-পুরুষের হরমোনের পার্থক্য লক্ষ্যণীয়।

ভোর ৫টায় পুরুষের টেস্টোস্টেরন (Testosterone) হরমোন সর্বাধিক থাকে। দিনের অন্য সময়ের তুলনায় এ মাত্রা ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। এ সময় নারীও টেস্টোস্টেরন হরমোন উৎপাদন করে। তবে তা অতি সামান্য মাত্রায়।

সকাল ৬টায় পুরুষের টেস্টোস্টেরন Testosterone হরমোনের মাত্রা কমে না। ঘুম যত লম্বা হয় হরমোনটির প্রভাবও তত বেশি হয়। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (American Medical Association) জানিয়েছে, পাঁচ ঘণ্টার বেশি ঘুম পুরুষের হরমোনটির মাত্রা ১৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়।
সকাল সাতটায় যদি কোনো পুরুষ ঘুম থেকে উঠে তখন তার দেহে যতখানি টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা থাকে সর্বাধিক। কিন্তু একজন নারীর সে সময় সবচেয়ে কম থাকে। অন্যদিকে দিন শেষে পুরুষের এ হরমোনটির মাত্রা সবচেয়ে কমে যায় আর নারীর সবচেয়ে বেশি থাকে। আর এ কারণেই সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের লিঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে

হস্তমৈথুন করলে যে সব মারাত্বক সমস্যা হতে পারে

হস্তমৈথুন এমন এক সমস্যা যাতে একবার কেউ আসক্ত হয়ে পড়লে তা ট্রিটমেন্ট ছাড়া এ থেকে রেহাই পাওয়ার অন্য কোনো কার্যকর উপায় থাকে না বললেই চলে। আপনি অনলাইন সার্চ করলে হস্তমৈথুন অভ্যাস পরিত্যাগের বিষয়ে ভুরি ভুরি উপদেশ বাণী পেয়ে যাবেন। বাস্তব ক্ষেত্রে যার সবগুলিই অকার্যকর। তারপরও তাদের উপদেশ বাণীর যেন কোনো শেষ নেই।

অনেকেই শীতপ্রধান দেশের বিশেষজ্ঞদের গবেষণালব্ধ ফলাফল আমাদের উপমহাদেশের অর্থাৎ গ্রীষ্মপ্রধান দেশের বেলায় চালাতে চান। এক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদের বাস্তবতা উপলগ্ধি করতে হবে। আমাদের দেশের ছেলেদের ১০-১২ বছরের মধ্যেই যৌন পরিপক্কতা চলে আসার কারণে তারা অনেকেই তখন থেকেই হস্তমৈথুন করা শুরু করে এবং বিয়ের সময় অর্থাৎ বয়স ২০-৩০ বছর হওয়ার পর দেখা যায় তারা নানা প্রকার যৌন সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলেছেন।
কিন্তু শীতপ্রধান দেশগুলির বিষয়টা আমাদের থেকে সম্পূর্ণ উল্টো। ঐসব দেশে ছেলেদের যৌন পরিপক্কতা আসে অনেক দেরিতে, অনেকের ১৬-১৮ বছর হয়ে যায়। তাছাড়া তারা যে কারো সাথে মেলামেশার সুযোগ পেয়ে থাকার কারণে হস্তমৈথুন ততটা করে না। তাই তারা এর জন্য ক্ষতির সম্মুখীন হয় না বললেই চলে। তাই আপনাদের অবশ্যই এ বিষয়টা বুঝতে হবে এবং তাদের ক্ষেত্রে যে থিওরি তাদের দেশের বিশেষজ্ঞরা দিয়ে থাকেন তা আমাদের দেশের ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার চেষ্টা করা নিছক বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ তারা যদি আমাদের দেশের ছেলেদের মত হস্তমৈথুনে আসক্ত হয়ে এটা করতে থাকত তাহলে তারাও এর কুফল গুলির সম্মুখীন হত।
পুরুষ হস্তমৈথুন করলে প্রধান যেসব সমস্যায় ভুগতে পারে সেগুলি হলো :-
পুরুষ হস্তমৈথুন করলে প্রধান যেসব সমস্যায় ভুগতে পারে সেগুলি হলো :-
১। পুরুষ হস্তমৈথুন করতে থাকলে সে ধীরে ধীরে নপুংসক হয়ে যায়। অর্থাৎ যৌন সংগম স্থাপন করতে অক্ষম হয়ে যায়।
২। আরেকটি সমস্যা হল অকাল বীর্যপাত। ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয় । বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না ।
৩। অকাল বীর্যপাত হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায় । তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০ মিলিয়নের কম । যার ফলে সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতার দেখা দেয় । (যে বীর্য বের হয় সে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত। স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতে কোন পুরুষের থেকে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ থেকে কোন সন্তান হয়না। )
৪। অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়।
হস্তমৈথুনের ফলে শরীরের অন্যান্য যেসব ক্ষতি হয় :-
হস্তমৈথুনের ফলে পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রোগ – বালাইয়ের যাদুঘর হয়ে যায় । মাথা ব্যথা হয় ইত্যাদি আরো অনেক সমস্যা হয় হস্তমৈথুনের কারণে। স্মরণ শক্তি কমে যায় এবং চোখেরও ক্ষতি হয় । আরেকটি সমস্যা হল সামান্য উত্তেজনায় যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হওয়া যাকে বলা হয় Leakage of semen । ফলে অনেক মুসলিম ভাই নামায পড়তে কষ্ট হয়। তাই এই সমস্যায় আক্রান্ত হলে অভিজ্ঞ কোনো হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে ট্রিটমেন্ট নিন। দেখবেন অল্প কিছু দিনের চিকিত্সায় মন থেকে হস্তমৈথুনের আসক্তি দূর হয়ে আপনি চিরদিনের মত সুস্থ্য হয়ে উঠবেন।

বীর্য বেশিক্ষণ ধরে রাখার উপায়

ছেলের যদি করার সময় ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়, সেটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না । এমনকি ৬-৭ মিনিট ও স্বাভাবিক বলা হয় । আপনি তখনি আপনার এ বিষয় টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার তার থেকেও কম অর্থাৎ ১-৫ মিনিটে বের হয়ে যাবে । কেবল তখনি আপনি বলতে পারবেন যে আপনার এ সমস্যা অর্থাৎ দ্রুত বের হয়ে যাচ্ছে।
দাম্পত্য জীবনে অসুখী পুরুষের আজকাল অভাব নাই। বর্তমানে অনেক পুরুষ মিলনে স্থায়ী করতে পারেন না। বহু কারণ থাকতে পারে এর পিছনে। যৌন মিলন নিয়ে যারা মানসিক ভাবে দুর্বলতায় ভুগেন তাদের জন্য আজ কিছু টিপস দিচ্ছি আশাকরি আপনার যৌন জীবনের জন্য টিপসগুলো অদ্বিতীয়।
প্রথম প্রথম সব মানুষের ক্ষেত্রেই অনভিজ্ঞতা, লজ্জা, নিজের উত্তেজনা কে নিয়ন্ত্রন করতে না পারা ইত্যাদির কারনে এমন টা হতে পারে। চিন্তার কিছু নেই। সময় নিন, তাড়াহুড়া করে মিলিত হবেন না। এই মুহূর্তে আপনার চিকিৎসকের কাছে যাবার প্রয়োজন নেই বলেই মনে হয়। বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। আপনার যে সমস্যা, সেটা খুবি স্বাভাবিক।


চিন্তার কোন কারণ নেই । মূল আলোচনার আগে আর একটি প্রচলিত ধারণার কথা বলা যাক ।অনেক মানুষ ই আছেন যারা মনে করেন তার অধিকাংশ সমস্যার কারণ মাস্টারবেশন । এটি ভুল ধারণা । মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন সম্পুর্ণ স্বাভাবিক একটি ব্যপার । অতিরিক্ত না করলে এতে আপনার কোন দিক দিয়েই কোন ক্ষতি হবার চান্স নেই ।এই কথাটি বলার কারণ খুব ই সরল । কারণ অনেকেই মনে করে তার দ্রুত বীর্যপাতের আসল কারণ সে অনেক মাস্টারবেট করে । এখানে একটি থিওরি আছে । বোঝানোর চেষ্টা করছি । ধরুণ আপনি বাথরুমে গেলেন মাস্টারবেশন করতে । আপনি যদি ২০ মিনিট ধরে করেন তাহলে অবশ্যই আপনার বাসা থেকে ডাকাডাকি হবে , না হলেও আপনার অবচেতন মন ই আপনাকে তাড়া দেবে । এজন্য যা হয় তা হল , অবচেতন ভাবেই ছেলেরা মাস্টারবেট করতে করতে দ্রুত কিভাবে বের করা যায় সেটা শিখে ফেলে । পরে সেক্স করার সময় মনের অজান্তেই হয়তো পেনিসের তার সেই স্পেশাল জায়গা অথবা তার সে বিশেষ স্টাইল সে ধরে ফেলে , ফলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায় ।
এখন , যাদের আসলেই দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি করবেন ? কারণ অবশ্যই , আপনার গার্লফ্রেন্ড বা ওয়াইফ আপনার পেনিস মুখে নিল , আর আপনার বের হয়ে গেল কিছু করার আগেই , অথবা ধরলো আপনার পেনিস , সাথে সাথে বের হয়ে গেল , অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পার্টনার হয়তো উত্তেজক কিছু করলো আপনার সাথে , তখনি বের হয়ে গেল । এগুলো হল সমস্যা। সলিউশনে যাই এবার আমরা ।একটি ব্যপার স্বাভাবিক । ধরুন আপনি অনেকদিন করেন না , আপনার পার্টনারের সাথে অনেকদিন পর করতে গিয়ে উত্তেজনায় দ্রুত বের হয়ে আসলো স্পার্ম । এটি স্বাভাবিক , এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই । এটি আপনার অক্ষমতা নয় । এবার আসুন দেখি যাদের দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি কি করতে পারেন …
-শরীর টাকে আপনার পার্টনারের শরীরের উপরে সমান্তরালে রাখার চেস্টা করুন।শরীরের পুরো ভার আপনার পার্টনারের উপর দিয়ে দিন।ওই অবস্থাতেই খুব রিলাক্স ভাবে আপ ডাউন করুন।মনে রাখবেন যদি শরীর আলগা করে আপ ডাউন করতে যান তবেই কিন্তু আউট হয়ে যাবে।
– হাতের ওপর জোর বাড়ানো । অনেক সময় দেখা যায় ছেলেরা করার সময় সব বা প্রায় সব ভর পেনিস এই দিয়ে থাকে , এতে দ্রুত বের হয়ে যেতে পারে তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে ।
* মিলনের আগে অবশ্যই মন শান্ত রাখতে হবে, কোনভাবে নিজেকে উত্তেজিত কার যাবে না।মনে আজেবাজে চিন্তা আনা যাবে না।মেরে রাখবেন যৌন মিলন ক্ষণস্থঅয়ী হওয়ার মূল কারণ শারীরিক ও মানসিক দিন দিয়ে অস্থিরতা অনুভব করা।
* সকল প্রকার মানসিক, শারিরীক অস্থিরতা বা চাপ কমিয়ে নিজেকে সহজ করুন।
– এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে পজিশন বদলে বদলে করতে হবে ।
– একটি পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া । আপনি আপনার স্পার্ম পার্টনার কে দেখিয়ে তার গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স এর আগেই বের করুন একবার। সে হর্নি হবে দেখে । এবার পেনিস টা ভালমত পানি দিয়ে ধুন । এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর আস্তে আস্তে আবার কিসিং শুরু করুন । ১৫মিনিটের মাথায় আবার ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা ।
* কনডম ব্যবহার করবেন। কারণ কনডম ব্যবহার করলে বীর্যপাত দেরিতে হয়।কনডম ইউজ করলে পুরুষাঙ্গে শির শির ভাব কম হয়, যার কারণে বীর্যপাত হতে দেরি হয়।
*যেকোন প্রকার নেশাজাত দ্রব্য পরিহার বাধ্যতামূলক। অনেকদিন যাবৎ য্যেন ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এবং যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য তামাকজাত দ্রব্য, মদ, অণ্রান নেশাজাত ওষুধ সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে।
– ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বের হয়ে আসছে তখন আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে ঘোরানো শুরু করুন । হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না ।
* যৌন মিরনের কক্ষেত্রে অবশ্যই ফোর প্লে পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।প্রয়োজনে বেশি সময় নিয়ে  ফোর প্লে করবেন।
* বেশিক্ষণ এক আসণে যৌন মিলন করবেন না। ঘন ঘন আসন পরিবরর্তন করুন।নতুনত্ব যেমন মনোযোগ রোমাঞ্চিত করবে তেমনি মিলন দীর্ঘস্থায়ী করবে।তবে সঙ্গীর দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে।
– একটি অভ্যাস প্র্যাকটিস করুন বাসায় । নিজে  কে উত্তেজিত করে বের হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ে যান , এর পর আবার স্বাভাবিক হোন বের না করে । এটি সপ্তাহে একবারের বেশি না করাই ভাল কারণ এতে দেহের ক্ষতি হতে পারে ।
* যৌন মিলনকালে সঙ্গীর আধিপত্যে কখনো লজ্জাবোধ করবেন না।
* যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য শ্বাসপ্রশ্বাস ধীরে ধীরে নিন।এত করে আপনার পরিশ্রম কম হবে।যার জন্য আপনার শরীর দীর্ঘক্ষণযৌন মিলনের জন্য অটুট থাকবে।
আশা করি এসকল ব্যপারে সতর্ক থাকলে আপনার সেক্স লাইফ হবে আরো মজার। Health Care এর সকল Health Tips গুলো মেনে চলুন। তাহলে খুব সহজেই আপনি Healthy Life Lead করতে পারবেন।


পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা ম্যাজিকের মত বাড়িয়ে দেয় যে ৬টি খাবার

সুখী দাম্পত্য জীবনের মূল মন্ত্র হলো পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা ও সুস্থ সন্তানের জন্মদান করতে পারা। শরীর সুস্থ না থাকলে দাম্পত্য জীবন কখনোই সুখের হয় না ও সুস্থ সন্তানের জন্ম হয় না। আজকাল অনেক পুরুষই সন্তান জন্মদানের অক্ষমতায় ভুগে থাকেন। এছাড়াও শারীরিক অক্ষমতা সহ নানান রকমের সমস্যা এখনকার পুরুষের নিত্য সঙ্গী। স্ট্রেসে ভরা জীবন, দূষিত পরিবেশ, ভেজাল খাদ্য, ধূমপান ইত্যাদি সবই পুরুষের উর্বরতা ক্রমশ কমাচ্ছে।

সুস্থ দেহ ও সন্তান উৎপাদনে সক্ষমতার জন্য প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা। কিছু বিশেষ খাবার আছে যেগুলো খেলে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, বীর্যের মান উন্নত হয় ও যৌন স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব দূর হয়। আসুন,জেনে নেয়া যাক ৬টি খাবার সম্পর্কে যেগুলো পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও সন্তান উৎপাদন নিশ্চিত করে তোলে।
কলা
কলায় আছে ব্রোমেলাইন নামক এঞ্জাইম যা পুরুষের যৌন সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। এছাড়াও কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও রিবোফ্লাবিন আছে যা শরীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে ও শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। একই সাথে বীর্যের মান উন্নত করতেও ভূমিকা রাখে কলা।
ডিম
ডিমে আছে ভিটামিন বি৫ ও বি ৬। এই উপাদানগুলো শরীরের হরমোন উৎপাদন প্রকৃয়াকে স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে যা স্পার্ম-এর গুনগত মান বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে ও শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
রসুন
অনেকেই রসুনের গন্ধ পছন্দ করে না। কিন্তু রসুনে আছে অ্যালাকাইন যা যৌনাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীরিক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয় ও সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
চকলেট
চকলেটে ক্যাফেইন জাতীয় উপাদান থিওব্রোমাইন আছে। এছাড়াও এতে আছে ফিনাইলেথাইলামাইন যা মস্তিষ্কে ভালোবাসার অনুভূতি সৃষ্টি করে। বিশেষ করে ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বীর্যের মান উন্নত করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
বাদাম
চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে। বাদাম শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করতেও সহায়তা করে। সেক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলে বাদাম খেলে সন্তান উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
স্ট্রবেরী
স্ট্রবেরী শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। ফলে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও উদ্দীপনা বাড়ে। এছাড়াও স্ট্রবেরীতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পুরুষের স্পার্মের সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
তরমুজ
তরমুজকে প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা বলা হয়ে থাকে। ২০০৮ সালে টেক্সাস A&M রিসার্চের এক গবেষণায় জানা গিয়েছে যে তরমুজে আছে লাইকোপেন, সাইট্রুলাইন ও বিটা ক্যারোটিন যা শরীরে যৌন উত্তেজনা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়া আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা স্পার্মের মান উন্নত করে।
নারীকে যৌন উত্তেজিত করার চারটি সুত্র

নারীকে যৌন উত্তেজিত করার চারটি সুত্র

১. সিঙার: বেশির ভাগ নারী মিলনপুর্ব সিঙারে সরাসরি যৌন মিলনের ছেয়ে বেশি তৃপ্তি পেয়ে থাকে। তাই ফোর-প্লে তে অধিক সময় নিন।

২. কল্পনা / ফ্যান্টাসী: শাররীক মিলনকালে অথবা অন্য সময় যৌনতা নিয়ে কল্পনা করা মোটেও ভুল নয়। সঙ্গীর উত্তেজক কর্মকান্ডের সাথে আপনার কল্পনা মিশিয়ে এক সুখকর আবেশে জড়াতে পারেন। কল্পনার রাজ্যে সব পুরুষ রাজা আর তার সঙ্গী রাণীর আসনে থাকে।
৩. সরাসরি মিলনে দেরী করা: নারী, বিশেষ করে তরুনীরা সাধারনত বেশি বেশি চুমা, ছোয়া সহ অন্যান্য আনুষাঙ্গিক যৌন উত্তেজক বিষয় একটু বয়স্কদের চেয়ে বেশি কামনা করে। বয়সবেধে চরম উত্তেজনায় পৌছতে কম/বেশি সময় নিয়ে থাকে। আপনার সঙ্গীর আকাঙ্খার উপর ভিত্তি করে পেনিট্রেশানের আগে আরো কিছু সুখ আদান প্রদান করুন।
৪. ভাইব্রেটর: আমাদের দেশে এখনো সেক্স টয় বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ। তাই নারীকে উত্তেজিত করার জন্য ভাইব্রেটর এর বিকল্প আপনার মধ্যমা আঙুলী দিয়ে তার যোনীর ভিতর জি-স্পট (যৌনাঙ্গের কিছুটা ভিতরে অতি সংবেদনশীল অঞ্চল) এ কম্পন সৃষ্টি করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন কোন অভ্যাস যেন স্থায়ী না হয়ে যায়?