Showing posts with label খাদ্য ও পুষ্টি. Show all posts
Showing posts with label খাদ্য ও পুষ্টি. Show all posts

প্রতিদিন ১ কেজি করে ওজন কমানোর গোপন ফর্মুলা

বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। কত শত ডায়েট কত শত ব্যায়াম কত কিছুই না করা হল। কিন্তু কোন কিছুতে তেমন কোন লাভ হল না। আপনি কি জানেন একটি মাত্র উপায়ে প্রতিদিন ১ কেজি ওজন কমানো সম্ভব! এমন একটি ডায়েট ড্রিংকের কথা জানা যায় .dailynutritionnews.com, dietoflife.com, explicitgists.com এবং healthydietaffair.com থেকে।


বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে লেবুর রস খুব দ্রুত শরীরের মেদ কাটতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি একদিনে ১ কেজি ওজন কমিয়ে থাকে। লেবুর রস প্রাকৃতিক অস্ত্র যা দেহের চর্বি পুড়াতে সাহায্য করে থাকে। এছাড়া এটি দেহের বিষাক্ত টক্সিন দূর করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।
যা যা লাগবে
৮ কাপ পানি
৬টি লেবুর রস
১/২ কাপ মধু
১০ টি পুদিনা পাতা
কয়েকটি বরফ কুচি
যেভাবে তৈরি করবেন
১। পানি হালকা গরম করে নিন। খুব বেশি গরম করবেন না।
২। পানি, লেবুর রস, মধু, পুদিনা পাতা, সব একসাথে মিশিয়ে নিন।
৩। এবার এটি ফ্রিজে রেখে দিন কয়েক ঘন্টা।
৪। কয়েক ঘণ্টার পর বের করে পান করুন।
৫। এক কাপ পানি একটি বরফ কুচি দিবেন এর বেশি না। কারণ অতিরিক্ত ঠান্ডা শরীরের শক্তি হ্রাস করে থাকে।

কখন খাবেন
• প্রতিদিন নাস্তা খাওয়ার আগে এক গ্লাস লেবুর পানি খান। সকালের নাস্তায় খাবেন সালাদ এবং ফল।
• সকাল ১১ টায় আরেক গ্লাস লেবু পানি খাবেন সাথে অল্প কিছু ভাজা বাদাম খেতে পারেন।
• দুপুরের খাবারে একটি ডিম সিদ্ধ এবং অলিভ অয়েল ও আপেল সাইডার ভিনেগার দিয়ে লেটুস সালাদ খাবেন।
• বিকেল ৪টায় আরেক গ্লাস লেবু পানি খান। এর সাথে আপনার পছন্দের কোন ফল খেতে পারেন।
• রাতের খাবারে এক টুকরা মাছ বা মাংস খেতে পারেন। তার সাথে সালাদ খেতে পারেন।
• রাতের খাবারের ২ ঘন্টার পর আরেক গ্লাস লেবু পানি পান করুন।
এটি ওজন কমানোর সাথে সাথে আপনার শরীরে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে থাকে। তবে আপনি যদি শরীরের টক্সিন উপাদান বের করতে চান তবে দিনে কয়েকবার লেবু পানি খেলে চলবে।
লেবু পানির এই ড্রিংকটিকে “Beyonce’s Diet” বলা হয়ে থাকে। কারণ সুপার স্টার বিয়ন্সে এই ড্রিংকটি পান করে ৩৮ কিলোগ্রাম ওজন কমিয়েছিলেন।

এক কাপ আদা পানি কমিয়ে দিবে কোমরের মেদ

পেটের মেদ নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। পেটের সাথে সাথে কোমরেও মেদ জমে থাকে। কোমরের মেদ সাধারণত ব্যায়াম ছাড়া কমানো সম্ভব হয় না। ব্যস্ত এই নগরজীবনে ব্যায়াম করার মত সময় সবার হয়ে উঠে না। এই কোমরের মেদ কমানোর জন্য পান করতে পারেন আদার তৈরির এই জাদুকরী পানীয়টি।
 সারা বিশ্ব জুড়ে আদা স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে পরিচিত। পুষ্টি সমৃদ্ধ এই উপাদানটি কোমরের মেদ কমানোর পাশাপাশি বমি বমিভাব, পেশী ব্যথা, ডায়ারিয়া, মাইগ্রেন, বাত, কোষ্ঠকাঠিন্য সহ আরও অনেক রোগের প্রতিষোধ হিসেবে এটি কাজ করে থাকে। এটি রক্তে সুগার লেভেল হ্রাস করে রক্ত চলাচল বজায় রেখে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রন করে। এছাড়া ক্যান্সারের কোষ মেরে ফেলতে সাহায্য করে আদা। এই আদা দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন ডিটক্স। এটি কোমরের মেদ কাটানোর পাশাপাশি  অনেকগুলো স্বাস্থ্য উপকারী পেয়ে যাবেন।

যা যা লাগবে:
  • ১.৫ লিটার পানি
  • আদা কুচি


যেভাবে তৈরি করবেন:
১। ১.৫ লিটার পানি চুলায় দিন, এর সাথে ২ ইঞ্চি লম্বা আদা কুচি মিশিয়ে নিন।
২। এটি কিছুক্ষণ জ্বাল দিন।
৩। ঘন হয়ে গেলে চুলা নিভিয়ে ফেলুন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল আদার রস।
৪। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য এতে লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন।
৫। প্রতিদিন এক কাপ করে এই আদার রস পান করুন। কমপক্ষে ছয় মাস এটি পান করুন।

কার্যকারণ:
আদা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বমি বমি ভাব দূর করে, হজমশক্তি বৃদ্ধি, ঠান্ডা, কফ দূর করে থাকে। শুধু তাই নয়, এটি খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। আদার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান মেদ হ্রাস করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এমনকি এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রেখে খাবার খাওয়ার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

প্রতিদিন এক কাপ করে ছয় মাস এই পানীয় পান করুন। আর পেয়ে যান কাঙ্ক্ষিত কোমর।

খালি পেটে রসুন খওয়ার উপকারিতা

অনেকের ধারণা সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়া হয়তো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আবার অনেকে বিশেষ করে দাদী নানীরা মনে করেন এটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি। এত তর্ক বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে বৈজ্ঞানিকরা প্রমাণ করেছেন খালি পেটে রসুন শরীরের ভেতরে অ্যান্টিবায়েটিক তৈরি করে থাকে। যা অনেক রোগ থেকে শরীরকে রক্ষা করে থাকে। এছাড়া আরও কিছু কারণ আছে যার কারণে খালি পেটে রসুন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকার।
১। রসুন হাইপারটেশন বা উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করে থাকে। এটি শুধু রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে না, হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যা দূর করে থাকে। এর পাশাপাশি লিভার এবং ব্লাডার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।






২। পেটের নানা সমস্যা যেমন ডায়রিয়া প্রতিরোধ করতে রসুন বেশ কার্যকরী। সকালে খালি পেটে রসুন নার্ভ সিস্টেমকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।
৩। রসুন আপনার স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এটি পাকস্থলিতে উৎপাদিত অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে। রসুন অত্যন্ত শক্তিশালী উপাদান যা ডায়াবেটিস, হতাশা, ট্রাইপাস, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে দেহের সার্বিক উন্নয়ন সাধান করে থাকে।
৪। পেটের নানা অসুখ ভাল করার পাশপাশি রসুন হজমশক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। এটি খাবারে রুচি বৃদ্ধিতেও রসুন বেশ কার্যকরী।
৫। যক্ষা, নিউমিনিয়া, ব্রংকাইটিস,দীর্
ঘস্থায়ী শ্বাসনালী শ্লেষ্মা, হাঁপানি, অ্যাজমা, হুপিং কাশি সর্বোপরি শ্বাসযন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যা দূর করে থাকে রসুন। তবে হ্যাঁ অব্যশই খালি পেটে খেতে হবে রসুন।
যেভাবে খাবেন:
সকালে নাস্তা খাওয়ার আগে দুই কোয়া রসুন খেয়ে ফেলুন। তারপর পানি পান করুন। রসুন চিবিয়ে খান।
সতর্কতা:
১। রসুন খাওয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন রসুনে আপনার অ্যালার্জি আছে কিনা। রসুনে অ্যালার্জি থাকলে কাঁচা রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এর পরিবর্তে রসুনের স্যাপ্লিমেন্টরী খেতে পারেন।
২। রসুন খাওয়ার পর যদি ত্বকে র্যাশ দেখা দেয়, অথবা শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় অথবা মাথাব্যথা শুরু হয় তবে রসুন খাওয়া বন্ধ করে দিন।
৩। আপনি যদি কোন ঔষধ খেয়ে থাকেন, তবে রসুন খাওয়ার আগে অব্যশই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করবেন।

মজাদার চিংড়ি পিঁয়াজু



চিংড়ির নাম শুনলে অনেকের জিবে পানি চলে আসে। আর তা যদি হয় মজাদার চিংড়ি
পিঁয়াজু, তাহলে তো কথায়ই নেই। কিন্তু জিবে জল এলে শুধু হবে না। এটি কিভাবে তৈরি
করতে হবে এবার তা জেনে নিন।

*যা যা লাগবে*

চিংড়ি মাছ লেজসহ এক কাপ, মুসুরির ডাল আধ কাপ, মটর ডাল আধ কাপ, পিঁয়াজ কুচি ৪টি
বড়, চার থেকে পাঁচটি কাঁচা মরিচ কুচি, আদা বাটা এক চা চামচ, রসুন বাটা এক চা
চামচ, লবণ স্বাদ মতো, খাওয়ার সোডা একচিমটি।

*যেভাবে করতে হবে*

এবার সব একসঙ্গে করে মাখিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর চিংড়ি মাছের লেজ বের করে ফেলুন।
সেই সঙ্গে বাকি মাছে ডাল বাটা লাগিয়ে শুধু তেলে লাল করে ভেজে নিন। এবার গরম
গরম পরিবেশন করুন মজাদার চিংড়ি পিয়াজু।


শিশুর প্রথম শক্ত খাবার


শিশুসন্তানকে কখন শক্ত খাবার খাওয়ানো শুরু করবেন, তা নিয়ে মায়েরা দুশ্চিন্তায় ভোগেন। বয়স ছয় মাস পেরোলেই শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি অন্য খাবার দেওয়া যায়। অভ্যাস নেই বলে শিশুরা প্রথম কয়েক দিন খেতে চায় না। এ সময় ধৈর্য হারিয়ে অনেক মা শিশুকে শুধু বুকের দুধই দিয়ে যেতে থাকেন। কিন্তু ছয় মাসের বেশি বয়সী একটি শিশুর প্রতিদিন ৬০০ ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন, যার মধ্যে ৪০০ ক্যালরি সে পায় মায়ের দুধ থেকে। বাকিটা পরিপূরক বা বাড়তি খাবার থেকেই পূরণ করতে হবে।
প্রথম শক্ত খাবার হিসেবে শিশুকে চাল, ডাল, গম, সুজি কিংবা চটকানো সেদ্ধ আলু বা গাজর দিতে পারেন। তাড়াহুড়া না করে একটি খাবার দেওয়ার পর তিন-চার দিন পর্যবেক্ষণ করুন। শিশুর কোনো সমস্যা না হলে আরেকটি খাবার চালু করুন। মাছ কিংবা ডিম ছয় মাস বয়স থেকেই দেওয়া যায়, তবে প্রয়োজনে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে পারেন। প্রথম কয়েক দিন খাবার পাতলা করলেও ধীরে ধীরে ঘন করুন, যাতে শিশু কেবল গিলতে নয়, চিবোতেও শিখে। তাই খাবার পাতলা করার জন্য ব্লেন্ডার না ব্যবহার করাই ভালো। ছয় মাস বয়স হলে শিশুকে ২৫০ মিলিলিটার বাটির আধা বাটি করে দুবার খাওয়াতে হবে। পাশাপাশি দুই বেলা নাশতা। তবে তাকে মায়ের দুধ দেওয়া বন্ধ করা যাবে না। আগে মায়ের দুধ, তারপর বাড়তি খাবার দিতে হবে শিশুকে। বয়স এক বছর পেরোনোর আগে গরুর দুধ দেওয়া যাবে না, তবে দুধের তৈরি খাবার দিতে পারেন।
শিশুর খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ বা ঝাল দেবেন না। শিশু যদি প্রথমে খাবার খেতে না চায়, হতাশ হবেন না। কয়েক ঘণ্টা পর আবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। ধীরে ধীরে সে অভ্যস্ত হবে এই নতুন খাবারে।